তিতাসে নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার।

মো.কাইমুল ইসলামঃ
কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নিখোঁজের ৪ দিন পর বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার ডাবুরভাঙ্গা গ্রামের আবুল হোসেনের বাগান বাড়ির ঝোপ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশটি নিখোঁজ ছাপ্পর আলী (৮৫) বলে তাহার পরিবার ও গ্রামবাসী সনাক্ত করেছে। পুলিশ সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরী করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এলকাবাসী সুত্রে জানা যায় ছাপ্পর আলী(৮৫) শুক্রবার মাগরিব নামাজের পর তার নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় অনেক খেঁাজা খুজি করে না পেয়ে তার বড় ছেলে আব্দুল কাদির খোকন তিতাস থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন এবং এলাকায় মাইকিং করেন। আজ সোমবার  সকালে ছাপ্পর আলীর বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদা এবং একই গ্রামের জসিম উদ্দিনের অনুরোধে  গ্রামের ছোট বড় বয়সের লোকজন নিখোঁজ ছাপ্পর আলীকে খোঁজতে বের হয় এবং খোঁজতে গিয়ে একই গ্রামের আবুল হোসেনের বাগান বাড়িতে গিয়ে বৃদ্ধের অর্ধগলিত লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসে ময়না তদন্ত্রের জন্য কুমিল্লা কলেজ মেডিকেল প্রেরণ করেছে। এবিষয়ে নিহতের ছোট ছেলে সুমনের স্ত্রী আয়েশা বলেন তার শশুর তাদের সাথেই থাকতো.শুক্রবার মাগরিব নামাজের পর বলে আমি তাদের এখান থেকে আসি(বড় ছেলের ঘর থেকে) এই কথা বলে বের হয়ে যায়,আমি আমার শাশুরিকে বলি আমার শরীরটা ভালো লাগছেনা আব্বা আসলে ভাত দিয়েন এই কথা বলে ঘুমিয়ে পরি,সকালে উঠে ঘরে না দেখে মনে করি আমার ভাসুরের ঘরে হয়তো ঘুমিয়ে আছে,পরে বেলা বারার সাথে সাথে না আসায় জানতে পারি শশুরকে পাওয়া যাচ্ছেনা। এবিষয়ে জানতে নিহতের বড় ছেলে খোকন কোথায় জিজ্ঞেস করলে উপস্থিত লোকজন বলে পিতার লাশ দেখে খোকন অসুস্থ্য হয়ে পরছে এখন ঢাকা নিয়ে গেছে। খোকনের স্ত্রী মাজেদার নিকট জানতে গেলে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে নারাজ। স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিল মিয়া বলেন নিখোঁজ হয়েছে বলে আমরা শুনেছি,আজ সকালে গ্রামের জসিম আমাকে ফোন দিয়ে বলেন তুমি আসো লোকজন নিয়ে ছাপ্পর আলীকে খোজি,খোজতে গিয়ে আবুল হোসেনের বাগান বাড়ি ঝোপের মধ্যে গলিত লাশ পাওয়া যায়। এদিকে গ্রামের অনেকেই ধারনা করছেন ছাপ্পর আলীকে হত্যা করা হয়েছে। কি কারণে হত্যা করতে পারে এমন প্রশ্নে অনেকেই নাম প্রকাশ না করে বলেন নিহতের ছোট ছেলে সুমন একজন সহজ সরল তার সম্পদ আর্থসাদ করার জন্যই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বড় ছেলে খোকন ও তার স্ত্রী মাজেদাকে জিজ্ঞেসাবাদ করলেই রহস্য উধঘাটন হবে বলে গ্রাম বাসীর ধারণা করছে। তিতাস থানার পুলিশ পরিদর্শক(তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম হাওলাদার বলেন খবর পেয়ে ঘটনা স্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা পাঠিয়েছি, রিপোর্ট আসলে বলা যাবে হত্যা না অন্যকিছু।

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!