কুমিল্লা জেলার ১০হাজার ৫শত ৫০টি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত।

নিউজ মিডিয়া ডেস্কঃ
আজ শনিবার পবিত্র ঈদুল আজহা দেশের সকল জেলার ন্যায়কুমিল্লা নগরীসহ কুমিল্লার ১৭ উপজেলার ১০ হাজার ৫শ ৪৯ টি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নগরীর ১৩৫টি মসজিদের বেশী সংখ্যাক স্থানে ঈদের জামাত সকাল ৮ টায় সময় অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন পর্যায়ে মসজিদ সমূহে বেশী সংখ্যাক মসজিদে নামাজ সকাল ৯ টায় অনুষ্ঠিত হয় । এ ছাড়াও কোথায়ও এর আগে এবং পরেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন কুমিল্লার সূত্র মতে, কান্দিরপাড় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, ছাতিপট্টি জামে মসজিদ , পুলিশ লাইন জামে মসজিদ, বন্দিশাহী জামে মসজিদ, পুরাতন ফেরীঘাট জামে মসজিদ, মুন্সেফ বাড়ী জমে মসজিদ ,ষ্টাফ কোয়াটার জামে মসজিদ, কেটিসিসি জামে মসজিদ, ঝাউতলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, দক্ষিণ চর্থা থিরাপুকুরপাড় জামে মসজিদ, আদালত জামে মসজিদ , কালিয়াজুরী বড় মসজিদ, থানা জামে মসজিদ, জানু মিয়া জামে মসজিদে সকাল ৮ টায় ঈদের নামাজের অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এছাড়াও বাবুস সালাত জামে মসজিদ ৭.০০, রেইসকোর্স সুন্নিয়া জামে মসজিদ ৭.৩০ ,টি এন্ড টি জামে মসজিদ ৭.৩০,উত্তর আশ্রাফপুর মাজার মসজিদ ৭.১৫ ,দারোগা বাড়ী শাহ আব্দুল্লাহ গাজী পুরী জামে মসজিদ ৭.৩০, ছোটরা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ ৭.৩০,নবাববাড়ী চৌমহনী জামে মসজিদ ৮.১৫ ,তালপুকুরপাড় জামে মসজিদ ৭.৩০ ,শাহসুজা জামে মসজিদ ৮.৩০ নগরীর ২২নং ওয়ার্ড এর উত্তর রামপুর মধ্যপাড়া জামে মসজিদে সকাল ৮ ঘটিকায় ঘটিকায় ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।।এর মধ্যে কিছু কিছু মসজিদে আগে পিছে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। দাউদকান্দি ৭৮৯, মেঘনা ২৭৩, হোমনা ৫৫৩, তিতাস ৪৫৩, মুরাদনগর ১১০৬, দেবিদ্বার ৮০৫, বুড়িচং ৫৩৮, ব্রাহ্মণপাড়া ৩৩২, আদর্শ সদর ২২৩,সিটি কর্পোরেশন এলাকা ১৩৫, চান্দিনা ৭৬১, বরুড়া ৯১৮, লাকসাম ৫৩৯, মনোহরগঞ্জ ৫০৫, সদর দক্ষিণ ৪১৪, লালমাই ৫৫৫, নাঙ্গলকোট ৬৮৩, চৌদ্দগ্রাম ৯৬৭ সহ ১০ হাজার ৫শ ৪৯ টি জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগার ইমাম মুফতি মো. ইব্রাহীম ক্বাদেরী জানান, ঈদের প্রথম জামাত সকাল ৮ টায় হবে। যদি মুসল্লি সংখ্যা বেশী হয়, তবে পরপর আর দুটি জামাত করার প্রস্তুতি রয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়সহ সরকারি নির্দেশনা মেনে ঈদের নামাজ আদায় করা হবে।
জেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশন উপ-পরিচালক সরকার সারোয়ার আলম বলেন, সরকারি ভাবে সবাইকে স্বাস্থবিধি মেনে ঈদের নামাজ আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। যারা অসুস্থ বা রোগীর সেবায় নিয়োজিত ছিলো তাদের মসজিদে না আসার জন্য বলা হয়েছে। সবাই বাড়ি থেকে ওজু করে আসতে হবে। মাস্ক পরে আসবে ও নিজ নিজ জায়নামাজ সাথে নিয়ে আসবে। কোলাকুলি না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আর মসজিদের দায়িত্বে যারা আছে, তাদের প্রতি অনুরোধ। কার্পেট বা জায়নামাজ বিছানো যাবে না। মসজিদ জীবানু মুক্ত করতে হবে। দূরত্ব রেখে মুসল্লিাদের দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিক জামাত করার ব্যবস্থা রাখুন।

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!