এক সমৃদ্ধ জনপদ সদর দক্ষিণ উপজেলা এবং একজন গোলাম সারওয়ার।

নিউজ মিডিয়া ডেস্কঃ

কুমিল্লার নাম নিলে যেসব স্থাপনা কিংবা প্রতিষ্ঠানের নাম উঠে আসে এর প্রায় সবগুলোর অবস্থান সদর দক্ষিণ উপজেলা এলাকায়। এটি একটি সমৃদ্ধ জনপদ। আর এ উপজেলার উন্নয়ন যাঁর নেতৃত্বে এগিয়ে চলেছে তিনি হচ্ছেন- দেশবরেণ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব অর্থমন্ত্রী ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি’র ছোট ভাই এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি, সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার।

জানা গেছে, ২০০৫ সালের ৪ এপ্রিল স্থাপিত ও ২৯৯.৫৭৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের সদর দক্ষিণ উপজেলার জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও সার্বিক কল্যাণে সদা নিবেদীতপ্রাণ গোলাম সারওয়ার। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় উপজেলার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগসহ সর্বত্র লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচিকে সফলতার সাথে বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে উপজেলা পরিষদ। একজন প্রথীতযশা রাজনীতিক গোলাম সারওয়ারের নেতৃত্বে পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল হাই বাবলু ও অধ্যাপিকা নাসিমা আক্তার পুতুল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জনগণের কল্যাণে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছেন। গোলাম সারওয়ার প্রায় প্রতিদিন সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ পরিদর্শন করে থাকেন এবং জনগণের সুখ-দুঃখের খোঁজ-খবর নেন।

এছাড়া বর্তমান বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে কর্মহীন ও অভাবগ্রস্ত হতদরিদ্র মানুষের পাশে থেকে তাদের মাঝে খাদ্য, ইফতার ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করছেন। আরও জানা গেছে, সদর দক্ষিণ উপজেলায় গড়ে উঠছে আইটি পার্ক, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক নানা প্রকল্প। লালমাই ময়নামতি পাহাড়ের জনগণের জীবনমান উন্নয়নে সাড়ে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া এই এলাকার মানুষ ড. আখতার হামিদ খানের কৃষি চাষাবাদকে আরো আধুনিকায়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা পরিষদ।

প্রসঙ্গত: শিক্ষা-সংস্কৃতি আর ইতিহাস-ঐতিহ্যের পাদপীঠখ্যাত জেলা কুমিল্লা। এ জেলায় রয়েছে প্রাচীন সভ্যতার নানা নিদর্শন। চোখ মেললে-ই প্রাচীন এ জেলার নয়নাভিরাম দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করে। দিনে দিনে সর্বত্র লেগেছে উন্নয়নের ছোঁয়া। তবে ভৌগোলিক অবস্থানসহ নানা কারণে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলা বহুমাত্রিক আধুনিকতার স্পর্শে আজ এক সমৃদ্ধ ও আলোকিত জনপদে পরিণত হয়েছে। এ উপজেলার বুকচিরে গিয়েছে দেশের অর্থনীতির লাইফ লাইনখ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং কুমিল্লা-চাঁদপুর ও কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক। এ উপজেলা জুড়ে কী নেই। আছে প্রাচীন ঐতিহ্যের লালমাই পাহাড়। আর এই পাহাড় ঘিরে আছে চন্ডিমুড়া মন্দির, আছে শালবন বৌদ্ধ বিহার, জাদুঘর, নবশালবন বিহারসহ নানা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনাসহ গড়ে উঠছে আধুনিক বিনোদন পার্ক, এছাড়া এখানে আছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য, বিশিষ্ট ক্রিড়া সংগঠক এ রাজনীতিক গোলাম সারওয়ার ১৯৫৬ সালের ১লা সেপ্টেম্বর কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার দুতিয়াপুর গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ্ব বারুর মিয়া এবং মাতা মরহুমা সায়রা বেগম। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। গোলাম সারওয়ার তৎকালীন লাকসাম ও বর্তমানে লালমাই উপজেলার বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় হতে ১৯৭২ সালে এসএসসি, ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগে কৃতিত্বের সাথে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি একজন চার্টার্ড একাউন্টেন্ট। তিনি কুমিল্লা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব অত্যন্ত সুনামের সাথে পালন করছেন।

আরো পড়ুন
error: Content is protected !!