ঈদ যাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বেড়েছে যানবাহনের চাপ।

দেলোয়ার হোসাইন আকাইদঃ 

ঈদ যাত্রায় দেশের ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে বেড়েছে যানবাহনের চাপ। যাত্রীবাহী বাস না থাকলেও ট্রাক-ভ্যান-কাভার্ডভ্যানে করে যাত্রীরা যাচ্ছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। মহাসড়কে দুর পাল্লার যান চলাচল না করায় তা দখলে নিয়েছে ছোট ছোট যানগুলো। মহাসড়কে এলোপাতারি গাড়ি পাকিং ও অস্থায়ী স্ট্যান্ড বানিয়ে তারা উঠানামা করছেন যাত্রীদের, ফলে কিছক্ষন ক্ষনে ক্ষনে তেরী হচ্ছে যানজটের। তাছাড়া রয়েছেন যানচলাচলের ধীর গতি। দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থেকে যানবাহনের ঘরমুখী যাত্রী ও চালকদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অনেকে দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকার পর হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন।

সকাল থেকেই মহাসড়কের দাউদকান্দি টোলপ্লাজা এলাকায় বাড়ে যানবাহনের চাপ। বেশির ভাগ ব্যাক্তিগত পরিবহন আর পণ্যবাহী পরিবহনের পরিমান হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় সেতু এলাকায় এই জটলার তৈরী হয়। দীর্ঘ যানজট না থাকলেও ধীরগতিতে চলে যানবাহন। এছাড়া মহাসড়কের পদুয়ারবাজার, ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে যানবাহনের সংখ্যা।

ঢাকা থেকে আসা মাইক্রোবাস চালক মোঃ শফিক মিয়া জানান, মহাসড়কের প্রতিটি বাজারে রয়েছে মানুষের জটলা। তাছাড়া মোড়ে মোড়ে গাড়িতে যাত্রী উঠানামা করায় রাস্তায় জ্যাম লাগছে। যে যার মত করে গাড়ী চালানোয় রাস্তায় কেউ কাউকে সাইড দেয় না, ফলে গাড়ী ধীরে চালাতে হয়।

ঢাকা থেকে কুমিল্লা আসা বুড়িচং খাড়াতাইয়ার যাত্রী আফতাবুল ইসলাম আসছেন স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে গ্রামে ঈদ করতে। তিনি জানান, ভোরে রওয়া দিয়ে দুপুরের দিকে কুমিল্লা আসেন। পথে  তাকে পরতে হয়েছে যানজটের কবলে। আর গাড়ী চালকদের যে যার মত করে ভাড়া দাবী করছে। যাত্রীদের তুলনায় যানবাহন কম থাকায় উচ্চ ভাড়ায় গাড়ীতে চড়তে হচ্ছে।

হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন জানান, মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে মানুষের চাপের কারনে ও সড়কে ছোট যান বেশি হওয়া মাঝে মাঝে গাড়ী চলাচলে একটু ধীর গতি হয় কিন্তু যানজট নেই। মহাসড়কে দূরপাল্লার কোন বাস যাতায়াত করা দেয়া হচ্ছে না। চেকপোস্টে ঢাকা থেকে কুমিল্লা মুখী যাত্রী পরিবহনকৃত বাস আটকে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ব্যক্তিগত গাড়ির সঙ্গে পণ্য পরিবহনকৃত গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখী মানুষ।

You might also like
error: Content is protected !!